দারুস্সুন্নাহ ইয়াতিমখানা ও মাদরাসা

ইসলামী শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে আমাদের প্রতিষ্ঠান

মাদরাসা প্রিন্সিপাল

হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহিম সাদেকী

প্রিন্সিপাল, দারুস্সুন্নাহ ইয়াতিমখানা ও মাদরাসা

মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুর রহিম একজন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার এবং শিক্ষাবিদ। তিনি ২০০৫ সাল থেকে আমাদের মাদরাসার প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দক্ষ নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি উত্তরোত্তর উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে।

তিনি কুমিল্লা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ফাজিল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক স্টাডিজে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি ইসলামিক শিক্ষা ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন।

"আমাদের লক্ষ্য কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে একটি আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলা"

আমাদের ইতিহাস

দারুস্সুন্নাহ ইয়াতিমখানা ও মাদরাসা ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে এটি একটি ছোট মক্তব হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

২০০২ সালে আমরা ইয়াতিমখানা শাখা চালু করি, যেখানে অসহায় এতিম শিশুদের বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে আমাদের প্রতিষ্ঠানে ২০০ এরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে।

আমাদের মিশন

আমাদের মূল মিশন হল কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে একটি আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলা যারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।

আমরা শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বরং চরিত্র গঠন, নৈতিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেই। আমাদের লক্ষ্য এমন শিক্ষার্থী গড়ে তোলা যারা জ্ঞানী ও আমলপরা হবে।

আমাদের বিশেষত্ব

কুরআন শিক্ষা

প্রতিদিন নিয়মিত কুরআন শিক্ষা ও তাজবিদের বিশেষ ক্লাস। হিফজ বিভাগে বর্তমানে ৫০ জন শিক্ষার্থী কুরআন মুখস্থ করছে।

আধুনিক শিক্ষা

দীনি শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান শিক্ষার ব্যবস্থা। কম্পিউটার ল্যাব ও লাইব্রেরি সুবিধা রয়েছে।

ইয়াতিমখানা

৫০ জন এতিম শিশুর বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া ও পড়াশোনার ব্যবস্থা। তাদের জন্য আলাদা হোস্টেল ও পাঠদানের ব্যবস্থা রয়েছে।

অভিজ্ঞ শিক্ষক

১৫ জন অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক দ্বারা পাঠদান করা হয়। সকল শিক্ষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রিধারী।

নামাজের ব্যবস্থা

প্রতিদিন জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা। জুমার নামাজে এলাকার শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

সামাজিক কাজ

রমজানে ইফতার বিতরণ, শীতকালে কম্বল বিতরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।